সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছনকা তালসারি গ্রামে পারিবারিক বিরোধে জামাতা আব্দুল মতিনের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন শাশুড়ি মোমেনা খাতুন। একই সময়ে ধারালো ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন তার মেয়ে ফাতেমা খাতুন।
আহত শাশুড়িকে সদর হাসপাতালে ও তার মেয়েকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তির পর শনিবার (১৭ জুলাই) ভোরে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শ্বাশুড়ি মোমেনার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত মোমেনার জামাতা সদর উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের নেসার উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মাতিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত জব্দ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হুসেন জানান, সদর উপজেলার পায়রাডাঙ্গার মাতিনের সাথে ১৭ বছর আগে বিয়ে হয় ফাতেমা খাতুনের। তাদের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। একমাস আগে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে ফাতেমা বাবার বাড়ি ছনকা তালসারি গ্রামের গোলাম হোসেনের বাড়িতে চলে আসে।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, শুক্রবার (১৬ জুলাই) রাতে মতিন তাদের বাড়ি আসে। গভীর রাতে সুযোগ বুঝে সে ফাতেমার নাভির নিচে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। তাকে ঠেকাতে এলে মতিন তার শাশুড়ি মোমেনাকে ছুরিকাঘাত করে। তাদের উভয়ের আহত অবস্থায় সদর হাসপাতাল একটি ক্লিনিকে ভর্তি করার পর শ্বাশুড়ির মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে প্রথমে হত্যার চেষ্টার মামলা হয়। এটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সাথে মোমেনার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। অভিযান অব্যহত আছে।