প্রবাসী শারমিন লিপা অনুদানে হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে তানজীমূল উলুম মাদ্রাসার হাফেজ পড়ুয়া বাচ্চাদের মাঝে এই খাবারের আয়োজন করা হয়। আর এই খাবারের সম্পূর্ণ টাকা প্রবাসী শারমিন লিপা’র বড় মেয়ে সানমুন খান নিউইয়র্ক থেকে প্রদান করেন।

শারমিন লিপা’র বড় মেয়ে সানমুন খান

প্রবাসী শারমিন লিপা
যেকোন ভালো কাজের শুরুটা হোক আমি অথবা আপনার থেকেই এই শ্লোগান কে সামনে রেখে ২০১৯ সালে আমার বড় মেয়ে সানমুন খান (পেশায় একজন ব্যাংকার নিউইয়র্ক সিটি) “ধামরাই প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা” নামক একটা সামাজিক সেবা মুলক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করে। আমি এই সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এই সংস্থাকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের অসহায় মানুষের সহযোগিতা করার মাধ্যমে আজকের এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছি এবং আর একটা কথা না বললেই নয় এই সংস্থাটির তহবিল সম্পূর্ণ আমাদের মা মেয়ের নিজস্ব অর্থে পরিচালিত। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ২০২০ সালের দেশের করোনা পরিস্থিতিতে আমরা কর্মহীন ৭০০ পরিবারকে ১ মাসের খাবারের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছি। আরোও অনেক ভাবে বিভিন্ন সংগঠনের হয়েও আমরা কাজ করেছি ।

এতিমখানায় খাদ্য পরিবেশন
আমাদের অত্যান্ত শ্রদ্ধেয় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব হাবিবুর রহমান স্যারের প্রতিষ্ঠিত উত্তরন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে, ভবিষ্যতেও আমি আরোও সুন্দর একটি কাজ গুছিয়ে রেখেছি স্যারের অনুমতি পেলে কাজটি উত্তরন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্পন্ন করার আশা রাখছি ।
আমরা জাতিসংঘ ঘোষিত সৃষ্টি হিউম্যান রাইটসের পক্ষ থেকেও কাজ করেছি, ধামরাই স্বপ্নডানা পরিবারের সাথেও অংশগ্রহণ করেছি। এখনো অনেক ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে পথ চলছি । ভবিষ্যতেও আমরা আমাদের এই সংস্থাকে আরোও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সহায় হলে আমরা এই সংস্থার মাধ্যমে অনেক বড় কিছু আশা, বড় কিছু পরিকল্পনা এবং বড় কিছু স্বপ্ন নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। জানি না আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের এতো বড় স্বপ্ন পূরণ করবেন কিনা তবে আল্লাহর কাছে চাইতে কোনো দ্বিধা নেই, লজ্জা নেই , চাওয়ার কোনো শেষ নেই সুবহানাল্লাহ। তারপরও আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের যতোটুকু সাধ্য দিয়েছেন তার জন্য কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করছি।”