বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান যেমন ছিলেন, তেমনই আছেন। এরই মাঝে কেটে গেল ১৫ বছর। ঠিক দেড় দশক আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজকের এই দিনে বাংলাদেশের জার্সিগায়ে অভিষেক হয়েছিল সাকিবের।
সেই ২০০৬ সাল, হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ড। প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। এই কথা হয়তো মনে হারাবেন না টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ম্যাচের স্মৃতিগুলোও হয়তো সাকিবের মনে হারায়নি, হয়তো কখনোই হারাবে না।
বাংলাদেশের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচে ব্যাটে-বলে ভালোভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। কিন্তু অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে তিনি যে বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াবেন সেই আভাস কিন্তু ঠিকই দিয়েছিলেন। বল হাতে ১০ ওভারে ৩৯ রানের খরচায় ১ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও করছেন ৩০ রান। সে ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ৮ উইকেটে।
এরপর থেকে তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। যতদিন গেছে সাকিব ততই পরিপক্ক হয়ে উঠেছেন। আর এখন তো ‘জার্সি নম্বর ৭৬’ মানেই ভরসার প্রতীক।
সেই অভিষেক থেকে এখন পর্যন্ত ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই দ্যুতি ছড়িয়ে আসছেন এই টাইড়গার অলরাউন্ডার। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এখনও পর্যন্ত টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ৫৮টি। এই ফরম্যাটে ৩৯৩৩ রান তুলতে দেখা পেয়েছেন পাঁচটি সেঞ্চুরি এবং একটি ডাবল সেঞ্চুরির। এছাড়া অর্ধশতক রয়েছে ২৫টি।
একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২১৫টি। ওয়ানডেতে ৯ সেঞ্চুরিতে তার সংগ্রহ ৬৬০০ রান। আর বল হাতে উইকেট নিয়েছেন ২৭৭টি। এছাড়া ৮১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে সাকিবের সংগ্রহ ১৬৬৬ রান। বল হাতে তার শিকার ৯৭ উইকেট।
সাকিব আল হাসানই বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র ক্রিকেটার যিনি তিন ফরম্যাটে একসঙ্গে এক নম্বর অলরাউন্ডার হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। প্রায় এক যুগ ধরে অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন তিনি। এখনও ওয়ানডেতে শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিব।