শেরপুর জেলা প্রতিনিধি; শেরপুরের শ্রীবরদী আয়শা আইনউদ্দিন মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা -সভাপতি, শিক্ষানুরাগী, নারী শিক্ষার অগ্রদূত, শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট আমিনুল ইসলাম (আমিনুল ঠাকুর) করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানী ঢাকার পপুলার হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাত ২,৩০ মিনেটের সময় ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্না,,,,,, রাজিউন) মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, দুই কন্যাসহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
৬ আগষ্ট শুক্রবার বিকেল চারটার সময় ভায়াডাঙ্গা মদিনাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজার নামাজ শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তার অকাল মৃত্যুতে শেরপুর জেলা জজ কোটের পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল, শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডিএম শহিদুল ইসলাম, শেরপুর জেলা বারের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম মোখলেসুর রহমান আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ভাসানী, শেরপুর জেলা বারের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট একেএম মোকাদ্দেক ফেরদৌসী, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট এমকে মুরাদ, শ্রীবরদী আইনজীবী কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহিদ উল্লাহ শাহী, শ্রীবরদী পৌর মেয়র মো: আলী লালমিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মুহসিনুল বারি রুমি, শ্রীবরদী উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল আহসান, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আব্দুর রহিম দুলাল, সাবেক পৌর মেয়র আবু সাঈদ গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম শিক্ষাজীবনে দুবার স্কলারর্শিপ প্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি শেরপুর শহরের বেসিক অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী, সম্পূর্ণ কৃষি নির্ভর আয়ের উপর দাঁড়িয়ে নিজের জমানো লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। নারী শিক্ষার উন্নয়নে তিনি কাজ করে যান, নারীদের শিক্ষার আলোকিত করতেন। তিনি দরিদ্র অসহায় নারী শিক্ষার্থীদের নিজ তহবিল থেকে শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে আসছিলেন। স্কুলে পড়া অবস্থায় তার পিতার মৃত্যু হয়, শৈশব বয়সে সংসারের হাল ধরতে হয় তাকেই।
কৃষির উপর নির্ভর করে তিনি এগিয়ে যান সামনের দিকে। তিনি ভায়াডাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও ঈদগাহ কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।