চার মাস পর আজ বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) থেকে খুলছে পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে রিসোর্ট, পার্কগুলোতে দেয়া হচ্ছে নানা ধরনের অফার। হোটেলগুলো ৩০-৬০ শতাংশ পর্যন্ত কক্ষ ভাড়ায় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। কক্সবাজারে বেশিরভাগ হোটেলে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক রুম বুকিং হয়ে গেছে।
তবে বৈরী আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিনে এখনও শুরু হয়নি পর্যটক বরণের প্রস্তুতি। বন্ধ রয়েছে জাহাজ চলাচল। সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রও আজ খুলছে না।
বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির হোটেল-মোটেলগুলোতেও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতো দিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে লেগে যাবে দীর্ঘ সময়।
এছাড়াও রাজধানীর আশপাশে প্রায় কয়েকশ ছোট-বড় রিসোর্ট আছে। বড় রিসোর্টগুলো ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। অনেকে দিনব্যাপী প্যাকেজও ঘোষণা করেছে। আর এসব রিসোর্টের ফেসবুক পেজে গ্রাহক আকৃষ্ট করতে চলছে বুস্টিং।
সরকার চায় স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়ম মেনেই চলুক পর্যটনকেন্দ্র। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানা নিয়ে শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, জীবিকা ও অর্থনীতির কথা চিন্তা করে পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন শিল্প ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে। হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো সরকারের নির্দেশনা মানছে কিনা, স্থানীয় প্রশাসন সেটি শক্তভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।