হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর মরদেহ হাটহাজারী মাদ্রাসায় নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতাল থেকে হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় পৌঁছায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মাদ্রাসা মাঠে তার প্রথম নামাজে জানাজা হবে। পরে ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
হেফাজতে ইসলামের চট্টগ্রাম মহানগরের প্রচার সম্পাদক আহমদ উল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডায়াবেটিস ছাড়াও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত বাবুনগরী আগে বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকালে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে দ্রুত নেওয়া হয় চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতালে। হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়।
৬৭ বছর বয়সী বাবুনগরী দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। হেফাজতের আমিরের মৃত্যুর খবর শোনার পরপরই সংগঠনটির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন।
জুনায়েদ বাবুনগরী ৫ মেয়ে ও এক ছেলের জনক ছিলেন। ১৯৫৩ সালের ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল হাসান ও মাতা ফাতেমা খাতুন। হারুন বাবুনগরী তার নানা।
৫ বছর বয়সে আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরে ভর্তি হন তিনি। এখানে মক্তব্য, হেফজ ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। কুরআনের হেফজ শেষ করার পর আজহারুল ইসলাম ধর্মপুরীর কাছে পুরো কুরআন মুখস্থ শুনিয়েছিলেন। এরপর তিনি ভর্তি হন দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। ১৯৭৬ সালে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।