সহপাঠীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর গাড়ি জব্দ করলেও চালক ও মালিককে ছেড়ে দেয় ট্রাফিক পুলিশ। অবিলম্বে দোষীদের আটক করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেয় শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে সহপাঠীর মৃত্যুর খবরে ইসিবি চত্বরের রাস্তা আটকে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থীরা। প্রাইভেটকার চাপায় মোহাম্মদ শান্ত নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার পর ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এ বিক্ষোভ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসিবি চত্বরে রাস্তা পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির একটি প্রাইভেটকার তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। এ সময় গাড়ির চালক ও ভেতরে থাকা মালিককে আটকে রাখা হলেও কিছুক্ষণ পরই তাদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন সহপাঠীরা।
এদিকে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
এক সহপাঠী বলেন, ও যখন রাস্তা পার হচ্ছিল তখন একটা বাইক যাচ্ছিল এ কারণে ও দাঁড়িয়ে গেছিল। পরে এই প্রাইভেটকার এসে তাকে মেরে দিয়েছে।
সহপাঠীরা বলেন, ডিসি আমাদের কাছে সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় চেয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যদি খুনিকে গ্রেপ্তার না করা হয় তাহলে আমরা ১০টায় এখানে থাকব।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুলশান জোনের ডিসি জানান, এর আগেও আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত গতিতে চালাচ্ছিল গাড়িটির চালক। দোষীদের ছাড়া পাওয়ার বিষয়ে কারও অবহেলা আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
গুলশানের উপপুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সম্ভবত এর আগেও কোথায় একটা এক্সিডেন্ট করে থাকতে পারে। পেছন থেকে তাকে অনেক লোকজন ধাওয়া দিচ্ছিল। যখন গাড়িটি আসছিল তখন শান্ত গাড়িটিকে আটকের চেষ্টা করলে তখন তাকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় কার অবহেলা ছিল আমরা দেখব।
নিহত শান্ত আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়ত।