প্রবাদে আছে ‘চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিন’। এ বাক্যটি মিলে গেছে ৪ ছাগল চোরের বেলায়। চারটি ছাগল চুরি করে সিএনজিযোগে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী হয়ে ঘাটাইল ফিরছিলেন এক নারীসহ চার ছাগল চোর। তাদের সিএনজি উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকার গুইয়াগম্ভীর গ্রামে পৌঁছলে সড়কের পাশে কয়েকটি ছাগল দেখে চোরদের লোভ জাগে। পঞ্চম ছাগল চুরি করে সিএনজিতে ওঠানোর সময় চার ছাগলসহ জনতার হাতে আটক হন তারা। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বিকালে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের গুইয়াগম্ভীর গ্রামে।
ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের কাছে দেয়া চোরদের দেয়া তথ্যমতে, আটককৃত ছাগল চোররা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের সায়েদাবাদ গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫), মতি মিয়ার ছেলে আবুল কালাম (৩৮) ছবদের আলীর ছেলে শাহাদত হোসেন (৪০) এবং পাইকশা গ্রামের আ. লতিফের মেয়ে রুপা খাতুন (২৫)।
সন্ধানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার গুইয়াগম্ভীর গ্রামের রজব আলীর ছেলে মিনহাজ এক অপরিচিত ব্যাক্তিকে একটি ছাগল পাকা রাস্তার পাশে দাঁড় করানো সিএনজিতে ওঠাতে দেখতে পায়। এসময় তিনি এগিয়ে গেলে এই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। তখন তিনি আশপাশের লোকজনের সহায়তায় ওই ব্যক্তি ও সিএনজিতে থাকা আরো তিন ব্যক্তিকে আটক করে। জনতা সিএনজিতে থাকা চারটি ছাগল উদ্ধার করেন। আটককৃত ব্যক্তিরা বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাগলগুলো চুরি করে নিয়ে এসেছে বলে স্বীকার করেন। তখন উত্তেজিত জনতা নারীসহ চার ছাগল চোরকে গণপিটুনি দিয়ে সন্ধানপুর ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে নিয়ে যান।
ধৃত চোর জয়নাল আবেদীন জানান, তারা ছাগল চারটি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রাম থেকে চুরি করেছেন।
খবর পেয়ে সন্ধ্যায় ঘাটাইল থানার পুলিশ উপজেলার কুশারিয়ায় অবস্থিত সন্ধানপুর ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে জনতার হাতে আটক চার ছাগল চোর ও উদ্ধার হওয়া ছাগল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘাটাইল থানার এসআই মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।