সাধারণত ২৫ পদের বিপরীতে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও, দুটি পদ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় থাকায়, নির্বাচন হয় ২৩ পদে। কিন্তু সেখানেও ক্যাটাগরি এক থেকে বিভাগীয় ৭ পরিচালক নির্বাচিত হয়ে যান আগেই। মূলত চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল এবং রংপুর বিভাগে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায়, নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। তাই ক্যাটাগরি এক থেকে নির্বাচন হয়েছে মূলত ঢাকা এবং রাজশাহী বিভাগে।
অন্যদিকে ক্যাটাগরি দুই থেকে ১২ পরিচালক পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৬ জন। তবে দুই থেকে তিনজন গতকাল রাতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও, সেটা আমলে নেয়নি নির্বাচন কমিশন।
আর ক্যাটাগরি তিন থেকে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের বিপক্ষে লড়েছেন বিকেএসপির ক্রিকেট উপদেষ্টা নাজমুল আবেদীন ফাহিম।
এর আগে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে সকাল ১০টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ। ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বুধবার (৬ অক্টোবর) সকাল থেকেই প্রার্থী আর তাদের সমর্থকদের পদচারণায় ভরে যায় গোটা স্টেডিয়াম পাড়া। করোনার কারণে পোস্টাল আর ই-ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকায় মোটে ৭০ জন কাউন্সিলর সশরীরে ভোট দেন।
সমর্থকদের অপেক্ষার পালা শেষ করে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দুপুর ২টায় বিসিবিতে আসেন নাজমুল হাসান পাপন। এ সময় পাপনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সমর্থকরা। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় বিসিবি প্রাঙ্গণ।
এদিকে নির্বাচনের আগের রাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালনা পরিষদ নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান। তিনি ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রিকেট ক্লাবস’ ক্যাটাগরি-২ থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। এছাড়া খালিদ হোসেনও নাম প্রত্যাহার করে নেন নির্বাচন থেকে।
এবারের বিসিবি নির্বাচনে ক্যাটাগরি-২ এ পরিচালক পদে লড়ছেন পাপন। নির্বাচনের মূল আকর্ষণ মূলত এই ক্যাটাগরিকে ঘিরেই।