এদিকে, লাইপজিগের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মেসি, ডি মারিয়ারা পিএসজির স্কোয়াডে ফিরলেও ইনজুরির কারণে নেইমারকে রাখেননি কোচ মউরিসিও পচেত্তিনো। জানা গেছে, ব্রাজিলের হয়ে খেলার সময় কুঁচকির চোটে পড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা ফুটবলার।
নেইমারের না থাকা নিয়ে পচেত্তিনো বলেন, ‘আমরা ফুটবলারদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন। ওর (নেইমার) সামান্য চোট আছে। তবে আশা করছি, শিগগিরই সে সেরে উঠবে।’
ফুটবল ওয়েবসাইটগুলো বলছে, চোটের কারণে পরের লিগ ম্যাচে মার্শেইয়ের বিপক্ষেও অনিশ্চিত নেইমার।
এদিকে, সবশেষ ম্যাচে গত ১৫ অক্টোবর মেসি-নেইমারদের ছাড়াই এমবাপ্পে নৈপুণ্যে জয় পেয়েছে পিএসজি। অ্যাঞ্জার্সকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারিস জায়ান্টরা। ফুলগিনির গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দানিলো পেরেইরার লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরে প্যারিসের দলটি। ম্যাচের শেষদিকে গোল করে পিএসজির জয় নিশ্চিত করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
লিগে প্রথম আট রাউন্ডে জয়ের পর আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে রেঁনের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল তারকায় ঠাসা দলটি। এবার দলের সেরা দুই তারকা মেসি-নেইমারেকে ছাড়া অ্যাঞ্জার্সের বিপক্ষে মাঠে নামে পিএসজি। নিজেদের মাঠে দুই সুপারস্টারকে ছাড়াও যে পিএসজি সমীহ জাগানিয়া দল।
দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ৩৬ মিনিটে এগিয়ে যায় অ্যাম অ্যাঞ্জার্স। মাঝমাঠে মার্কো ভেরাত্তির পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ডান দিক দিয়ে আক্রমণ শানায় তারা। দারুণ এক শটে বল জালে পাঠান ফুলগিনি। ১-০ তে লিড অতিথিদের।
বিরতির আগে হেরেরা হেডে জালে বল পাঠালেও তা অফসাইড হয়। পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় পিএসজি। বিরতির ঠিক পরই ম্যাচে ফেরে পিএসজি। ৬৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে সমতা টানেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার পেরেইরা। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে বসে পিএসজি। সফল স্পট কিকে ব্যবধান গড়ে দেন এমবাপ্পে। লিগ ওয়ানে চার ম্যাচ পর জালের দেখা পেলেন ফরাসি তারকা।
পিএসজির ১৩ শটের মাত্র দুটি ছিল লক্ষ্যে, দুটিই গোল। আর অ্যাঞ্জার্সের সাত শটের দুটি ছিল লক্ষ্যে। ১০ ম্যাচে ৯ জয়ে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে পিএসজি। আগামী ১৯ অক্টোবর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাইপজিকের সঙ্গে ম্যাচের আগে এই জয় নিশ্চয়ই আত্মবিশ্বাস যোগাবে ফুটবলারদের।