এতে ভবনটির নিচ তলা পুরোটাসহ উপরের কিছু অংশে ধসে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। এসময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিরাপত্তার স্বার্থে ভবনের বাসিন্দাদের বের করে নিয়ে আসে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা মো. রায়হান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত ১টা ৪৩ মিনিটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং ভবনটি ধসে পরে। এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণের ঘটনায় ভবনটি পুরোপুরি ঝূঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্তব্যরতরা। তারা বলেন, নির্মাণের ক্ষেত্রের ভবনটি কোন নিয়ম মানা হয়নি। পুরো ভবনটি একটি দূর্বল কাঠামোর উপর গড়ে তোলা হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে এখন পুরো ভবনটিই বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় পার্শবর্তী ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভবনের বাসিন্দা জানান, বিস্ফোরণে পুরো ভবনটি কেঁপে ওঠে। প্রথমে তারা ভূমিকম্প মনে করে ছোটাছুটি করতে থাকেন। পরে কোন রকমে ছাঁদ থেকে অন্য বাড়ির ছাদে বাসিন্দারা লাফিয়ে নিচে নামেন তারা।
স্থানীয়রা দাবি করেছেন, জায়গার স্বল্পতার কারণে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে ভবন নির্মাণ করতে হয়েছে। গ্যাস লাইনের লিকেজে বিস্ফোরণের জন্যে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন তারা।