সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে র্যাবের ৬ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি দেশে অনেক সম্মানিত ব্যক্তি এই ইস্যু নিয়ে কথা বলছেন। এদিকে, ডিপ্লোম্যাট নামে ইংরেজি পত্রিকা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে র্যাব সহ আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বলা হয়েছে। ডিপ্লোম্যাট ইংরেজি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে না পারলে আরো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এই বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ পেল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র্যাবের ৬ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞাই শেষ নয়, যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে না পারলে ধারাবাহিক আরো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র্যাব) ওপর থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র।
র্যাবে যারা কাজ করেছেন, তাদেরকে জাতিসংঘ শান্তি মিশন থেকে প্রত্যাহার ও নিষিদ্ধ করা হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হবে।
প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কেনো র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে? কেনো বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি? কেনো বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে?
এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনেই। বলা হয়েছে, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দিনকে দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা দেশটি চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: amadershomoy/ajkalnewyork
এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের ৬ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার মাত্র এক সপ্তাহ পর বাংলাদেশের পুলিশ ও র্যাব বাহিনীর প্রসংশা করেছে দেশটি। বাংলাদেশের পুলিশ ও র্যাব বাহিনীর প্রসংশা করে দেশটি বলেছে তারা দেশে অনেক অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে অনিয়ম দূর করেছে। তবে এর মধ্যে এবার ইংরেজি পত্রিকা ডিপ্লোম্যাট এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।