ঝালকাঠিতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও ১২জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০ জনে। দগ্ধ হয়েছেন লঞ্চটির আরও দুই শতাধিক যাত্রী। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে সুগন্ধা নদীর গাবখান ধানসিঁড়ি এলাকায় লঞ্চটিতে আগুন লেগেছিল।
লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রাত তিনটার দিকে লঞ্চের ইঞ্চিনরুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন থেকে বাঁচতে অনেকে নদীতে লাফ দেন। কিন্তু সাঁতার না জানায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই শতাধিক যাত্রী দগ্ধ হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। ‘অগ্নি ঘাতক’নামের উদ্ধারকারী জাহাজ মরদেহ উদ্ধারে কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরাও সেখানে আছেন।
ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নামপরিচয় জানা যায়নি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দগ্ধদের ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রাণে বেঁচে যাওয়া লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী বলেন, লঞ্চটিতে পাঁচ শতাধিক যাত্রী ছিল। ওপরে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগ নদীতে লাফ দিয়েছেন। যারা ঘুমিয়েছিলেন তাদের বেশিরভাগই পুড়ে মারা গেছেন।