এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুমিরদিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন (৩২) এবং একই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে নাজিম হোসেন (৩০)। এছাড়া বিল্লাল হোসেন নামে একজন পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর খেজুরের গুড় কিনতে জনৈক আব্দুল আলীমের বাড়ি যান ওই গৃহবধূ। রাত ৮টার দিকে ভ্যানগাড়িতে (স্থানীয় যান) চড়ে বাড়ি ফেরার সময় অভিযুক্ত তিনজন মোটরসাইকেল করে এসে ভ্যানগাড়ির গতিরোধ করে। পরে গৃহবধূকে তুলে নেয় তারা। এই সময় ওই ভ্যানচালক বাধা দিলে তাকেও মারধর করে অভিযুক্তরা।
অভিযুক্তরা গৃহবধূকে পৌর এলাকার বুজরুকগড়গড়ি সড়কের ইটভাটার পাশে আম বাগানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত ১২টার দিকে ওই গৃহবধূকে তার বাড়িতে দিয়ে যায় অভিযুক্তরা। লোকলজ্জার ভয়ে দুইদিন চুপ থাকার পর সোমবার রাতে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গৃহবধূ।
পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে শহরের পৃথক দুটি স্থান থেকে দুইজনকে আটক করে। এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখায়। পলাতক বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অন্য পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।