স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছার পর বিশেষ বিমানযোগে প্রতিনিধিদলসহ কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার। কক্সবাজার পৌঁছানোর পর ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুর রহমান তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
কক্সবাজার থেকে পরে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। সেখানে ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন এবং যেখানে বৃক্ষরোপণসহ নানা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
এরপর ক্যাম্প-১৭ এ আশ্রিত রোহিঙ্গা নাগরিকদের মানবিক সহায়তায় তুরস্কের বিভিন্ন উন্নয়ন ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত চলমান প্রকল্পগুলো পরিদর্শনের পাশাপাশি উপকারভোগী রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তুর্কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফিরে দুপুরে বিশেষ বিমানযোগে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। সফরসূচি অনুযায়ী, ঢাকায় ফিরে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকেলে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের সঙ্গে রাজধানীর একটি হোটেলে বৈঠক করবেন। বৈঠকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা হবে। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের পর দুই দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অপরদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সফর। সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হবে। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় তুরস্ক আরও কীভাবে যুক্ত হতে পারে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের ভূমিকার বিষয়টি আলোচনায় স্থান পেতে পারে।
এছাড়া নিরাপত্তা, বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। শনিবার রাতেই তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে তার।