সোহম চক্রবর্তী ভারতীয় গণমাধ্যমে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে সজল মুখার্জি তার নাম করে প্রতারণা করছিলেন। বিভিন্ন মানুষের থেকে চাকরির নাম করে, বিভিন্ন পদে তাদের দাখিল করার লোভ দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে। প্রমাণের অপেক্ষায় ছিলেন সোহম। কিন্তু কেউ লিখিত দেয়নি ঠিকই কিন্তু যে মানুষ এত দিন প্রতারিত হচ্ছিল তাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। এমনকি সোহমের একটি গাড়িও তার কাছে ছিল, সেই গাড়ি ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে চার লক্ষ টাকা ডিমান্ড করে ওই ব্যক্তি।
সজল মুখোপাধ্যায়ের প্রতারণার কথা সামনে আসতেই বেশকিছু মানুষের সঙ্গে দেখা হয় যারা এই প্রতারণার শিকার হয়েছে। তারা সোহমকে অভিষোগ জানিয়েছেন। কিন্তু তারা বিধায়ককে এ কথাও বলেছেন যে তারা বিশ্বাস করেন যে সোহম এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না।
মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতেই সজল মুখোপাধ্যায়ের দায়িত্ব খর্ব করতে শুরু করেন সোহম। তখনই বিভিন্ন জায়গায় নেতাদের কাছে সোহমের নামে কুৎসা করতে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। সোহমকে অশ্লীল ভাষায় কটাক্ষ করেন। এই আচরণ মেনে নিতে পারেননি সোহম। সজলের হয়ে চন্ডীপুরের মানুষের কাছে ক্ষমা চান বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী।