ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার জন্য বাংলাদেশ সফরে এসেছে আফগানিস্তান। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে আগামীকাল(বুধবার) মাঠে নামছে দুদল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায়। টি স্পোর্টস এবং গাজী টিভি চ্যানেলে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে(বিপিএল) ব্যস্ত সময় পার করল টাইগার ক্রিকেটাররা। আর এর মধ্যেই এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এবং বিপিএলে ভালো পারফর্মারদের প্রাধান্য দিয়েই সাজানো হয়েছে এবারের স্কোয়াড।
ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো সুপার লিগের অংশ হওয়ায় এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাটিতে আফগানদের বিপক্ষে সিরিজ জিততে পারলেই সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে উঠে আসবে তামিম ইকবাল বাহিনী। আর সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে উঠে আসবে রাসেল ডোমিঙ্গো বাহিনী।
আফগান সিরিজের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে টাইগাররা। তবে তার আগে এই তিন ম্যাচে বাংলাদেশের ৩০ পয়েন্ট প্রয়োজন এবং কেননা দক্ষিণ আফ্রিকায় অন্তত একটি ম্যাচ জেতা তাদের জন্য নি:সন্দেহে অনেক বেশি কঠিন হবে।
আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত চারটি সিরিজে ১২টি ম্যাচ খেলে আটটিতে জিতেছে।
বর্তমানে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগের দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। বড় দলগুলি এখনও বেশি ম্যাচ না খেলায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ থেকে ৩০ পয়েন্ট ভালো অবস্থানে রাখবে বাংলাদেশকে। এমনকি ১০ পয়েন্ট বা একটি ম্যাচ হারলেও তারা ব্যাকফুটে চলে যাবে।
আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান এখন পর্যন্ত খেলেছে মোট আটটি ম্যাচ। দুদলের মধ্যে জয়-পরাজয়ে এগিয়ে রয়েছে টাইগাররাই। দুদলের মুখোমুখিতে আট ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে আফগানরা জয় পেয়েছে মাত্র তিনটি ম্যাচে।
এদিকে আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগে এখনও অপরাজিত আফগানিস্তান। ৬ ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই জিতেছে তারা। তবে আফগানদের সিরিজগুলো ছিল র্যাঙ্কিংয়ের নিচের সারির দল আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জয় অনেক এগিয়ে নিবে আফগানিস্তানকে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড:
তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, নাসুম আহমেদ, ইয়াসির আলি চৌধুরি ও মাহমুদুল হাসান জয়।
আফগানিস্তানের ওয়ানডে স্কোয়াড :
হাশমত শহীদি (অধিনায়ক), রহমত শাহ (সহ-অধিনায়ক), আজমত ওমরজাই, ফরিদ আহমাদ, ফজল হক ফারুকি, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রিয়াজ হাসান, নাজিব জাদরান, শহিদ কামাল, ইকরাম আলিখিল, মোহাম্মদ নবি, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, ইয়ামিন আহমেদজাই ও মালিক।