ads
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

এবার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর নজরদারিতে জোনের কর্মচারীরা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০২২
  • ২৩ বার পঠিত

এবার গ্যাস অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জোনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। জ্বালানি বিভাগের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জ্বালানি বিভাগ সূত্র বলছে, গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তাদের জবাবদিহি ছাড়া অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযান চালিয়ে গ্যাসের অবৈধ লাইন কেটে দেওয়ার পর রাতারাতি আবার সেই লাইন জুড়ে দেয় গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মচারীরাই। সংশ্লিষ্ট এলাকার ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে দিনের পর দিন এই কাজ চলে আসছে। একদিকে লাইন কেটে এলে আরেকদিন থেকে জুড়ে দেওয়ায় অবৈধ ব্যবহারকারীরা আরও উৎসাহিত হতো। কিন্তু এবার কঠোর হচ্ছে জ্বালানি বিভাগ। বলা হচ্ছে, অবৈধ লাইন কাটার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জোনের কর্মচারী-কর্মকর্তারাও থাকবেন নজরদারিতে।

জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জ্বালানি বিভাগের এক বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই সময় জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট জোনের কর্মকর্তাদের নজরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, যদি কেউ অবৈধ সংযোগগুলো আবার জুড়ে দেয় তা ওইদিনই অবহিত করতে হবে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, অবৈধ লাইন কেটে আসার পর আবার যদি জুড়ে দেওয়া হয় তাহলে ওই এলাকার ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে।

পেট্রোবাংলা বলছে, বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির পর বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এর মধ্যে যদি আবার চুরি হয় তাহলে সেই বিল আর রাজস্ব খাতে জমা হয় না। এক্ষেত্রে পেট্রোবাংলাকে আরও লোকসান গুনতে হয়। এ প্রেক্ষিতে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়। কিন্তু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এগুলো একটা একটা করে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লা জানান, গত জানুয়ারি মাসে মোট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ৩১টি, মোট স্পট ছিল ১০৪টি। ১৮ কিলোমিটার অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ করা হয়েছে। বিচ্ছিন্নকৃত বার্নারের সংখ্যা ১৮ হাজার ২১১টি। বিচ্ছিন্ন করা বাণিজ্যিক সংযোগ ২০টি, শিল্প সংযোগ ২১টি এবং ক্যাপটিভ সংযোগ ৫টি। জানুয়ারি মাসে গ্যাস বিক্রি ১ হাজার ৫২৫ কোটি টাকার বিপরীতে ১ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলা বলছে, এখন প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এরমধ্যে দেশের গ্যাস ক্ষেত্রগুলো থেকে এখন ২ হাজার ২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা হচ্ছে। এর বাইরে থেকে আমদানি করে আনা হয় ৭৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস স্পট মার্কেট থেকে আমদানি করা হচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102