সাভারে সকাল থেকেই অধিকাংশ কেন্দ্রেই টিকাদান সক্ষমতার বেশি মানুষ কেন্দ্রে এসে হাজির হন। টিকা দিতে না পেরে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে, যারা টিকা দিতে পেরে খুশিমনে বাড়ি ফিরেছেন তারা।
নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে হাজির হন হাজার হাজার টিকাপ্রত্যাশী। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে সাভার হেলথ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের গণটিকা কেন্দ্রে হুমড়ি খেয়ে পড়েন টিকাপ্রত্যাশীরা। ভিড়ের মধ্যে পড়ে ও হাতাহাতির কারণে আহত হন রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকসহ বেশ কয়েকজন।
জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে গেলেই টিকা দেওয়া যায় এমন ঘোষণায় পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েন টিকা কেন্দ্রে। ভিড় সামলাতে হিমশিম অবস্থা সবার।
সাভার হেলথ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের এক কর্মকর্তা বলেন, এখানে এত মানুষের ভিড়, কমপক্ষে ২০ জন পুলিশ থাকার দরকার ছিল বা আনসার বাহিনীর সদস্যদের থাকার দরকার ছিল। টিকাপ্রত্যাশীদের সুশৃঙ্খল করা তো আমার কাজ না, তারপরও আমাকে সেই কাজটি করতে হচ্ছে। এটি প্রশাসনিক কাজ প্রশাসন করবে। সকাল থেকে কাজ করা হচ্ছে, আমার প্রতিটি কর্মী আহত হয়ে পড়ছেন মানুষের ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কিতে।
চট্টগ্রামেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ ক্যাম্পেইন গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ। নগরীর জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে হাজির হন টিকাপ্রত্যাশীরা। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যারা টিকা নিয়েছেন তারা সন্তোষ প্রকাশ করলেও যারা পাননি ক্ষোভ জানিয়েছেন।
এদিকে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা টিকা কার্যক্রমে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে অষ্টম। এ পর্যন্ত দেশের ৭৫ ভাগ মানুষকে ২৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মুজিব কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় একযোগে চলে এ গণটিকা কার্যক্রম, যা চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।