টালিউডের তারকা অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার বাল্যকালের বান্ধবী ইন্দুমতি মারা গেছেন। তিনি ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন। প্রিয় বান্ধবীকে হারিয়ে শোকাহত নায়িকা। স্মৃতির পাতা থেকে পুরনো ছবি শেয়ার করে মন খারাপের খবর দিলেন এই অভিনেত্রী।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একদল কিশোর-কিশোরী। কেউ শাড়ি পরেছেন, কেউবা চুড়িদার। ঋতুপর্ণার পরনে সোনালী পাড়ের খয়েরি শাড়ি। পাশাপাশি বান্ধবী ইন্দুমতির বর্তমান সময়ের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি।
ক্যাপশনে ঋতুপর্ণা লেখেন, ‘ক্যানসারের কারণে আমার ছেলেবেলার প্রিয় বান্ধবীকে হারালাম। মন ভালো নেই। ওর আত্মার শান্তি কামনা করি। আমাদের ছেলেবেলাটা সেরা ছিল। সরল ও সাধারণ ছিল। ইন্দুমতি তোমাকে সারাজীবন মনে রাখব। মনে রাখব তোমার সবুজ স্মৃতিকে। ওম শান্তি।’
সম্প্রতি বিমানকাণ্ডে আলোচনায় আসেন ঋতুপর্ণা। বোর্ডিংয়ে কয়েক মিনিট লেট হওয়ায় তাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। তিনি বিমান কর্তৃপক্ষকে অনুনয়-বিননয় করেও তাদের মন গলাতে পারেননি। বিমান ধরতে না পারার কষ্টে কেঁদে ফেলেন নায়িকা। যদিও এ ঘটনার তিন দিন পর নির্দিষ্ট সেই বিমান সংস্থার তরফে টুইট করে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে।
সেখানে লেখা হয়েছে, ‘আপনার অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। অনেক বার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কোনওভাবে সফল হইনি। আপনার সুবিধামতো একটা সময় বলুন, আপনাকে আমরা যোগাযোগ করে কথা বলে নেব।’
বিমান সংস্থার সেই টুইটটির ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন ঋতুপর্ণা। তিনি লেখেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু বিমান ছাড়ার ২৫ মিনিট আগেই বোর্ডিং গেট বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। তাতে যাত্রীদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়তে হয় সংস্থাকেও। বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি বলে আমাকে আরও দু’টি বিমান ধরে কাজে পৌঁছাতে হয়। আশা করি, এমন ঘটনা বারবার হবে না। কেবল আমার জন্য নয়, সহ-নাগরিকদের সুবিধার্থেই এই অনুরোধ করছি।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘কেবল আমার জন্য অভিযোগ জানাইনি। গোটা দেশের হয়ে কথা বলেছি। অন্যায় হয়েছে বলেই আমি চিৎকার করেছি। আমার জন্য এবং প্রত্যেকের জন্যও বটে। কাজটি শেষ করার জন্য এখন আমাকে বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে। যে কাজের জন্য যাচ্ছিলাম, সেটি আমদাবাদ শহরে নয়, তার থেকে ৩ ঘণ্টা দূরে। খুব সহজে পৌঁছনো যায় না সেখানে। তাই এত করে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।’