নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাঁশবেড়িয়া গ্রামের রওশন আলীর পরিবারে প্রথম রোজার দিনেই খাওয়া হলো না সেহরি। নিজ ঘরেই মিললো সন্তান নূরে আলমের ঝুলন্ত মরদেহ। নিজের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বাঁশবেড়িয়া গ্রামের রওশন প্রামাণিকের ছেলে নূরে আলম বেশ কয়েকদিন আগে কক্সবাজার বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ করে আসে। এতে অর্থকষ্টে ছিলেন নূর আলম। তিনি শখের মোবাইল ফোনটিও বিক্রি করে দেন কয়েকদিন আগে। বেশ কয়েকজনের থেকে টাকাও ধার করেন। টাকা-পয়সা নিয়ে পরিবারের সঙ্গেও মনোমালিন্য হয় তার। পরে রোববার (৩ এপ্রিল) ভোরে সেহরি খাবার জন্য তাকে ডাকাডাকি করলে দরজা বন্ধ পায় পরিবারের লোকজন। পরে দরজা ভেঙে দেখা যায় ঘরে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে তার মরদেহ। খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ ও একটি চিরকুটে উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃত চিরকুটে সাময়িক অর্থকষ্ট ও তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান, সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।