সামনে ঈদ, তাই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কেনাকাটা করতে মার্কেটে যাচ্ছিলেন গার্মেন্টসকর্মী আবু সালেহ। কিন্তু বাসা থেকে বেরিয়ে কিছুদূর যেতেই ভাঙা রাস্তায় ঝাঁকুনিতে রিকশা থেকে পড়ে যান তারা। এসময় পেছন থেকে আসা লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ প্রদীপ নিভে যায় সালেহ ও তার নয়মাসের শিশু সন্তান আবদুল্লাহ সুমিতের।
শনিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে এগারটার দিতে মর্মান্তিক এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকায়। আহত হয়েছেন তার স্ত্রী ও আরেক সন্তান। ঘাতক লরি ও চালককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আবু সালেহ ও পরিবারের সদস্যদের বহনকারী রিকশাটি আকমল আলী রোড থেকে বের হয়ে মূল সড়কে উঠতেই ঝাঁকুনিতে তারা রাস্তায় পড়ে যান। এসময় পেছন দিক থেকে আসছিলো লরিটি। এতে সালেহ ও সুমিত ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, ইপিজেড এলাকায় সড়কটি নাজুক হলেও সেখানে লরিসহ ভারী যান চলাচল করে বেপরোয়া ভাবে। অথচ, প্রতিদিন এই সড়কে যাতায়াত করে হাজার হাজার শিল্প শ্রমিক। ফলে, প্রায়শ দুর্ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভের কারণে বিমানবন্দর সড়কে আধঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ ছিলো। পরে পুলিশের আশ্বাসে লোকজন সরে যায়।
নিহত আবু সালেহ একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। থাকতেন আকমল আলী রোডে। তার বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটায়।