ময়নাতদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. ফারহানা ইয়াসমিন।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নিউমার্কেট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ইয়াসিন কবির মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নাহিদের মাথায় পাশাপাশি চার জায়গায় কাটা জখম রয়েছে। কপালের ডান পাশে, নাকের বাম পাশে, দুই হাতের বিভিন্ন জায়গায় ও পিঠে পাশাপাশি ৩টি কাটা জখম। এ ছাড়া বাঁপায়ে গোড়ালিসহ দুই পায়েই নীলাফুলা জখম রয়েছে।
সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ উল্লেখ করেন, নিউমার্কেট এলাকায় গতকাল দুপুরে ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের ছাত্রদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুরুতর আহত হয় নাহিদ। তখন পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, নাহিদ অ্যালিফ্যান্ট রোডে মাল্টিপ্লান মার্কেটে ‘ডি লিংক’ নামে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে কাজ করত। গতকাল কামরাঙ্গীরচরের বাসা থেকে কাজে যাওয়ার সময় নিউমার্কেটের সংঘর্ষে পড়ে সে। এতে গুরুতর আহত হয়। পরে ঢাকা মেডিকেলে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
বাবা নাদিম মিয়া বলেন, প্রথমে নাহিদের মরদেহ নেওয়া হবে কামরাঙ্গীরচরের বাসায়। সেখানে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।