নকলা; আগুনের লেলিহান শিখায় ঝলসে গিয়েছে রেখা রাণী (৪০) । শরীরের পিছনের অংশ পুড়ে যাওয়ায় ৪ মাস ধরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। স্ত্রীর চিকিৎসার অর্থ যোগাতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন পঙ্গু স্বামী ওপেন্দ্র চন্দ্র তিলকদাস।
>

৩ জানুয়ারী লাকড়ি দিয়ে রান্না করতে গিয়ে নিজ বাড়িতে শাড়িতে আগুন লেগে দগ্ধ হয়।শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার পৌরসভার বাজারদি মহল্লার উপেন্দ্র চন্দ্র তিলকদাসের স্ত্রী।
জানা যায়, রেখা রাণী রান্না করার সময় আগুন পিছন থেকে তার পরনের শাড়িতে লেগে হাটু থেকে কোমর পর্যন্ত ঝলসে যায়। তার চিৎকারে আসে-পাশের লোকজন দৌঁড়ে এসে আগুন নেভালেও রেখা রাণী দাসকে আগুনের ভয়াবহতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতালের চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করে। টাকার অভাবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় নি। এভাবেই বিনা চিকিৎসায় প্রায় চারমাস যাবৎ পড়ে আছে।
শেষ নয় এই পরিবারের দুঃখের কাহিনী। এর আগে রেখা রাণী দাসে স্বামী উপেন্দ্র ঠেলা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলে দূর্ঘটনায় পড়ে ডান হাত ভেঙে যায়। সেখানেও টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে ডান হাতের কব্জি বাঁকা হয়ে গিয়েছে ভাঙ্গা হাতে কোন কাজ করতে পারে না ফলে বেকার হয়ে পড়েন। সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কর্মহীন হয়ে পড়ায় অর্থাভাবে পরিবারটি।
রেখা রাণী দাসের চিকিৎসা করতে অনেক টাকার প্রয়োজন।
হতদরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার খরচ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এর চিকিৎসার জন্য সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তার অসহায় পরিবার। (সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নাম্বার
রেখা রাণী ০১৬২৪৫৯২৩৪০)