স্বামীর বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে। তিনি ও তার স্বামী স্যাম প্রেমের বিয়ে। কিন্তু সেই বিয়ে কোনোদিনই সুখের ছিল না। এমনকি গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন পুনমের স্বামী। আগেই পুনম জানিয়েছিলেন যে কীভাবে দিনের পর দিন গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হতে হয়েছে তাকে।
কঙ্গনা রানাওয়াতের রিয়ালিটি শো ‘লক আপ’-এর মঞ্চে দাঁড়িয়েই পুনম বলেছিলেন, স্বামীর মারধরের ফলে মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান তিনি। যার জেরে ব্রেন হ্যামারেজ হয় তার, এমনকি ঘ্রাণ শক্তিও হারিয়ে ফেলেছিলেন এ মডেল অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, “আমি কোনও জিনিসের গন্ধ পেতাম না। ব্রেন হ্যামারেজের কারণেই এটা হয়েছিল। তবে আমি এখন মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে অনেক সুস্থ।”
পুনমের দাবি, তার মস্তিষ্কের চোট পুরোপুরি সারেনি, কারণ আঘাত পাওয়া জায়গাতেই স্যাম ফের মারত। কুকুরদের ভালোবাসার জন্যও স্বামীর হাতে বেধড়ক মার খেতে হত তাঁকে।
২০২০ সালে হানিমুনে গিয়ে প্রথমবার স্বামী স্যামের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন পুনম পাণ্ডে। সেসময় গোয়া পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি।
সেসময় তিনি বলেছিলেন, স্যাম তাকে নিগ্রহ করেছেন, তাকে তাকে শারীরিক নির্যাতনও করেছেন। সেসময় স্যামকে গ্রেপ্তার করা হলেও একদিন পরেই জামিন পেয়ে যান স্যাম। তখন নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণাও করে দিয়েছিলেন পুনম। কিন্তু তার কিছুদিন পরেই আবারও নিজেদের মধ্যে সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন পুনম ও স্যাম।
২০২০ সালের ২৭ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্যামের সঙ্গে আংটি বদলের কথা তার ফ্যানদের জানান পুনম পাণ্ডে। শেয়ার করেছিলেন তাঁদের বেশ কয়েকটি ছবি। ১০ সেপ্টেম্বর সাত পাকে বাঁধা পড়েন পুনম ও স্যাম। সূত্র: জিনিউজ।