বুধবার (১১ মে) জামিনে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে সম্রাটের আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা তার জামিননামা দাখিল করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন শর্তে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ৯ জুন পর্যন্ত সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন। সম্রাটের বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা না থাকায় মুক্তিতে বাধা নেই।
এদিন সকালে সম্রাটকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর জামিন শুনানি শেষে তাকে আবারও হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বুধবার দুদকের মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। সম্রাটের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানো ও তার জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন।
শর্তগুলো হলো-আদালতের অনুমতি ব্যতীত দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না সম্রাট, পার্সপোর্ট জমা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে।
দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আজ দুদকের মামলায় সম্রাটের অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। সম্রাটের আইনজীবী বিদেশে থাকায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। এছাড়া সম্রাটের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। দুদকের পক্ষে আমরা জামিনের বিরোধিতা করি। আদালত মানবিক কারণে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
সম্রাটের আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা বলেন, সম্রাটের জামিননামা আমরা দাখিল করেছি। এ জামিননামা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। কারাগার থেকে জামিননামা হাসপাতালে পাঠানো হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে জামিননামা পৌঁছালে তিনি মুক্তি পাবেন। আজ তার কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। আশা করছি আজই সম্রাট জামিনে মুক্তি পাবেন।
তিনি আরও বলেন, সম্রাটের বিরুদ্ধে করা চার মামলার মধ্যে এরইমধ্যে তিন মামলার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেয়া ছয় মাসের সাজা অনেক আগেই শেষ হয়েছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় আজ জামিন পেয়েছেন সম্রাট। তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তিতে বাধা নেই।