পুলিশ ও পারিবার জানায়, রাতের খাবার শেষে পরিবারের সবাই ঘুমাতে যান। কিন্তু গভীর রাতে ফারুকের ঘরে আলো জ্বলতে দেখে মা ফাতেমা খাতুন বাইরে থেকে আলো নিভিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু কোন সাড়া না পেয়ে জানালার ফুটো দিয়ে তিনি ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলতে দেখে চিৎকার দেন। পরে তার স্বামী সিদ্দিকুর রহমান ছুটে আসেন এবং ঘরের দরজা ভেঙে ছেলের লাশ নামিয়ে আনেন।
ফারুকের বাবা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বড় ছেলে ফারুক হোসেন লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। কিন্তু লেখাপড়ায় মনোযোগী না হয়ে মোবাইল ব্যবহারে আসক্ত ছিল। এজন্য প্রায় তিনি রাগারাগি করতেন। রোববার রাত ৯টার দিকে ঘরে তার সঙ্গে ভাত খাবার সময় ফারুক হোসেন আবারও মোবাইল ব্যবহার করে। এ সময় তিনি রাগ করে মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। এরপর খাবার খেয়ে ফারুক নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে কোনো এক সময় গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।