সাজ্জাদ মাহমুদ মনির, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায় পুরো ছাতক উপজেলা পানিতে তলিয়ে যায়। প্রায় সপ্তাহ খানিক পর বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পানি কমছে খুব ধীর গতিতে। হাজার হাজার মানুষ এখনো কর্মহীন ও পানিবন্দি।
পানিবন্দি লোকজনের মধ্যে সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। রবিবার দিনব্যাপী উপজেলার শেষ সীমান্তে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা রাসনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যাশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান। এখানে বন্যা দেখা দেওয়ার পর থেকেই তিনি বিরামহীনভাবে বন্যার্তদের পাশে রয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ত্রাণ নিয়ে ছুটে গিয়েছেন এই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান।
ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন। কিন্তু অসহায় পানিবন্দি মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা চিন্তা করে থেমে থাকেননি তিনি। প্রসঙ্গত, ইউএনও মামুনুর রহমান বন্যা শুরুর প্রথম দিন থেকেই বন্যায় কবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে উপজেলার বিভিন্ন দূর্গম এলাকা ছুটে বেড়াচ্ছেন।
বন্যাদূর্গতদের মুখেও তার প্রশংসার কথা উঠে এসেছে। ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান জানান, প্রশাসনের মাধ্যমে এপর্যন্ত এখানে ৩০ মেঃ টন চাল, সাড়ে তিন লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী ও ১০০০প্যাকেট শুকনো খাবার বন্যা দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বন্যা শুরুর দিন থেকে বিভিন্ন বন্যাশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও গ্রাম পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে এসব সহায়তা দেয়া হয়।