ads
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ঝুলন্ত মরদেহ: গৃহকর্মীর বাড়িতে শোকের মাতম

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২
  • ৩২ বার পঠিত
মৌসুমীর লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে

ঢাকায় এক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবু হাসান মুহাম্মদ তারিকের রমনার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার হওয়া গৃহকর্মী মৌসুমীর (১৪) গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের বাইতাইলে চলছে শোকের মাতম। খবর শোনার পরই তার মা ফরিদা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। দফায় দফায় তিনি মুর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।

বুধবার (১ জুন) বিকেলে অতিরিক্ত ডিআইজি আবু হাসান মুহাম্মদ তারিকের রমনার বাসা থেকে গৃহকর্মী মৌসুমীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রাতে মৌসুমীর লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।রাতেই দাফন করা হবে বলে জানান তার বোন জামাই আল আমিন ইসলাম।

স্বজন ও তার মায়ের অভিযোগ মৌসুমীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠ বিচার ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন তারা।

ফরিদা বেগম জানান, মৌসুমীর বাবা মুক্তার আলী কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। ৭ বছর আগে তিনি মারা গেলে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তিন বছর আগে মৌসুমীকে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় কাজে দেন তিনি। তারপর থেকে তাদের সঙ্গে মৌসুমীকে খুব বেশি যোগাযোগ করতে দেওয়া হতো। তাকে বাড়িতেও আসতে দেওয়া হতো না। গত ঈদে মৌসুমীকে বাড়িতে আসতে না দেওয়ায় তাকে দেখতে ঢাকায় যান ফরিদা।

তিনি বলেন, “ঢাকায় যাওয়ার পর তারা আমাকে মৌসুমীর সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে চাইলে পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে দেখা করার অনুমতি দেয়। দেখা করার সময় মৌসুমী নির্যাতনের কথা বলতে চাইলে তাকে ইশারা দেয় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। পরে মৌসুমী আর কিছু বলেনি।”

ফরিদা বেগম আরও বলেন, “স্বামী মারা যাওয়ার পর আমি খুব অভাবে ছিলাম। টাকার অভাবে মৌসুমীকে পড়াশোনাও করাতে পারিনি। একটু সুখের আশায় তাকে পুলিশের বাসায় কাজে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপর আর সে বাড়িতে আসেনি। মৌসুমীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার ছেলেকেও কোনো এক জায়গায় পাঠিয়েছে ওই পুলিশ অফিসার। আমার ছেলেকে এনে দেন। তা না হলে আমার ছেলেকেও মেরে ফেলাবে ওরা “

স্থানীয় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হীরা বলেন, “বিষয়টি রহস্যজনক। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, “মৌসুমীর লাশ রাতে তার গ্রামের বাড়িতে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।”

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102