ads
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

নেত্রকোনায় ১ লাখ ৬ হাজার ৬৮৮ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ২৯ বার পঠিত

নেত্রকোনায় ক্রমেই অবনতি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি। মদন ও খালিয়াজুরিতে পানি আরও বাড়ছে। আর অন্য উপজেলাগুলোতে পানি অপরিবর্তিত আছে। ৩২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে অন্তত এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৮ জন মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ২২০ নারী, ১৬ হাজার ৬৬ শিশু ও ৭৬৩ প্রতিবন্ধী রয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহনলাল সৈকত জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও বারহাট্টায় বন্যার পানি কমতে শুরু করছে। দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি এখন বিপৎসীমার ৫৮৭ সেন্টিমিটার নিচে আছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮৯ মিটার। তবে কলমাকান্দার উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। খারিয়াজুরির ধনু নদের পানিও বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে ভারি বৃষ্টিপাত না হলে বন্যার পরিস্থিতি আরও উন্নতির দিকে যাবে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাসেম জানান, গত শনিবার রাত থেকে কলমাকান্দায় পানি কমছে। উপজেলায় প্রায় ৯২ শতাংশ এলাকা নিমজ্জিত ছিল। তবে এখনও প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা পানি নিচে আছে। দুর্গাপুরের ইউএনও রাজীব উল আহসান জানান, দুর্গাপুরে বন্যার পরিস্থিতি বেশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। পৌর শহরের এখন পানি নেই। তবে গাঁকান্দিয়া, চণ্ডিগড়, বিরিশিরিসহ কয়েকটি ইউনিয়নে পানি ধীরগতিতে নামছে। পানি কমলেও দুর্ভোগ এখনো কমেনি।

তিনি আরও জানান, দুটি উপজেলায় ৪৮ আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও আট হাজার মানুষ আশ্রিত আছেন।

মদনের ইউএনও বুলবুল আহমেদ জানান, মদনে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গোবিন্দ্রশ্রী, তিয়শ্রী, ফতেপুরসহ বেশ কিছু ইউনিয়ন প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা পানির নিচে।

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, ‘পানি কমলেও এখনো ৩২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে এক লাখের বেশি মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে প্রায় ১৫ হাজারের মতো গোবাদি পশুকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ সোমবার নতুন করে আরও দুই হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার প্রদান করা হচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102