ads
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ফেনীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ: ধোঁয়াশায় ৭৩১ কোটি টাকার প্রকল্প

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ৩৬ বার পঠিত

চলতি বছরের ৭ এপ্রিল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের স্থায়ী সমাধানে ৭৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন।

শর্তগুলো প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রকল্পটি চুড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৪০ কিলোমিটার নদী খনন, ৭৮ কিলোমিটার বাঁধ মেরামত, ১২ কিলোমিটার জুড়ে ব্লক স্থাপন, ফ্লাড বাইপাস, ৯৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ। প্রকল্পের ৫০ শতাংশ অর্থ খরচ হবে জমি অধিগ্রহণে।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আক্তার হোসেন মজুমদার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সহসা টেকসই বাঁধ নির্মাণে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় যেসব শর্ত পূরণ করে প্রকল্পটি পাঠাতে বলেছে তা সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। যে কারণে প্রকল্পটি সহসা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া যাবে না।

আক্তার হোসেন বলেন, বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রধানত মুহুরী ও কহুয়া নদীতে ৪২ কিলোমিটার খনন করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের বন্যায় ২২ জায়গায় বাঁধ ভেঙ্গে যায়। তখন বাঁধ মেরামতে প্রায় ২শ’ ৪৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ২০১৯ সালের বন্যায় ১৫ জায়গায় বাঁধ ভেঙ্গে যায়। সেসময় মেরামতে প্রায় ১শ’ ৭৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ২০২০ সালের জুলাই মাসেও বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে যায়। তখন দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ৭শ মিটার বাঁধ মেরামত করা হয়।

উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জানান, ৭০-৮০ দশকে স্থানীয় চেয়ারম্যানেরা খাদ্যের বিনিময় কর্মসূচি দিয়ে এ বাধঁ নির্মাণ করেন। যার কারণে বাঁধ টেকসই হয়নি। যার ফলে প্রতি বছর বৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে তা ভেঙ্গে যায়। টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হলে ২০ বছরেও বাধেঁর কিছু হবে না। টেকসইভাবে নির্মাণের জন্য প্রথমে নদী খনন করতে হবে ও নদীর বাঁকে প্রতিরক্ষার জন্য ব্লক স্থাপন করতে হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102