গত ২৭ জুলাই প্রকাশ করা হয় জনশুমারি ও গৃহগণনার ফলাফল। যেখানে বলা হয় দেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রাক্কলন ছিলো দেশে জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৩১ লাখ সাত হাজার ৭৭ জন।
এবারের জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম নিয়ে মিলছে বেশুমার অভিযোগ। ফলাফল প্রকাশের পরই অনেকে দাবি করেন, জনশুমারি করতে তাদের বাড়িতে কেউ যাননি। বাদ পড়া অনেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনশুমারি বিষয়ে নানা মন্তব্য ছুড়ছেন।
তারা দাবি করেন, রাজধানীসহ দেশের অনেক এলাকায় খানা পর্যায়ে গণনাকর্মীরা যাননি। কোনো কোনো বাসার দরজায় শুধু স্টিকার লাগিয়ে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছেন গণনাকর্মীরা।
তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন সেলিম। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই করা হয়েছে এই শুমারি। চ্যানেল 24 কে দেয়া সাক্ষাতকারে প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, এখন গণনা পরবর্তী যাচাই হবে। কেউ বাদ পড়লে এতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন তারা।
আর অনেকের বাসায় গণনাকর্মীরা যাননি বলে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক জানান, জরিপের সময় এমন অভিযোগ পেয়ে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
জনশুমারি অনুযায়ি দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন, যা ২০১১ সালে ছিলো ৯৭৬ জন।