ads
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ছাত্রলীগকে পেটানোয় পুলিশ কর্মকর্তার বরখাস্তের দাবি এমপি শম্ভুর

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৩১ বার পঠিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ ছাত্রলীগকে বেধড়ক পেটানোর ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বরখাস্তের দাবি করেছেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

সোমবার (১৫ আগস্ট) রাতে বরগুনা প্রেসক্লাবে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এ কথা বলেন।

শম্ভু বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যে গাড়ি ভাঙচুর করেছে, তাকে তারা চিনতে পেরেছে। আমি বলেছিলাম, যে ভাঙচুর করেছে, তাকে দেখিয়ে দিন। আমি তাকে আপনাদের হাতে সোপর্দ করব। আসলে তাদের (পুলিশের) উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে। আমি তাদের মার ফেরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু ওখানে এত পুলিশ আসছে যে সেখানে কমান্ড শোনার মতো কেউ ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে শম্ভু আরও বলেন, আজ দুপুরে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। ওখানে পুলিশ কর্মকর্তা মহররম ছিলেন। তিনি যেসব কমান্ড করেছেন, তার কিছুই পালন হয়নি। আজ তিনি অনেক ভুল করেছেন। আমরা চাই তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি দেখুক এবং তাকে বিচারের আওতায় আনুক। সে এখানে অপরাধ করছে। সে এমনটা করতে পারে না। আমি সেখানে উপস্থিত, আমি তাকে বললাম কোনো পিডা পিডি ( মারধর) দরকার নাই। পুলিশের গাড়িতে ইট নিক্ষেপকারীর নাম বললে তাকে আমরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করব। তার ( অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী ) ইচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মীদের মারবে। আমার মনে হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী মূলধারার বাইরের লোক। যাই হোক এ বিষয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি দেখার জন্য ডিআইজি, অ্যাডিশনাল জিআইজি পাঠিয়েছেন বিষয়টি তদন্ত করার জন্য। তাকে ( অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী ) বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য আমি বলেছি। দেখা যাক কী হয় । এই জাতীয় ঘটনা বরগুনায় ঘটে নাই । শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একটা মারামারি করে দিল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী।

সদ্য ঘোষিত ছাত্রলীগের কমিটির বিষয় তিনি বললেন, বরগুনায় কোনো কাউন্সিল করা হয়নি। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের পরামর্শ গ্রহণ করেনি।

তিনি আরো বলেন, জেলা ছাত্রলীগের কমিটি কাউন্সিলের মাধ্যমে সকলের মতামত নিয়ে হলে আজ এত ঝামেলা হতো না। আপনারা জানেন যে ছাত্রলীগ করতে হলে যে পাঁচটি শর্তের কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সে শর্তগুলো কমিটিতে মানা হয়নি। আমরা আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবকদের বিষয়টি জানিয়েছি। সেখান থেকে নির্দেশনা আসার অপেক্ষা করছি।

এ বিষয়ে সাবেক এক ছাত্রনেতা বাংলানিউজকে বলেন,বরগুনায় ছাত্রলীগের ওপর পুলিশের অতর্কিত লাঠিচার্জের ঘটনায় অ্যাডিশনাল এসপি মহরম আলীর বরখাস্তের দাবি করেছেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। তবে ওই দিন রাতেই জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশের লাঠি চার্জের ঘটনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কোনো বক্তব্য দেননি।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে ফুল দিতে যান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ফেরার সময় শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সামনে পৌঁছালে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত গ্রুপের সদস্যরা তাদের ওপর হামলা চালান। এতে দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে দীর্ঘ আট বছর পর গত ১৭ জুলাই বরগুনা শহরের সিরাজ উদ্দীন টাউন হল মিলানায়তনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেন।

এতে জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩৩ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকেই সদ্য ঘোষিত এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বরগুনা শহরে পদবঞ্চিতরা প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102