চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার কালীপুর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিনসহ ১৫ জন ও বিএনপি নেতাকর্মী ৩০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে বিএনপি একটি মিছিল বের করার পর পুলিশ বাধা দিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জ্বালানি তেল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি, অসহনীয় লোডশেডিং এবং ভোলায় দুই নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে দলটি কর্মসূচি পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে বাঁশখালী উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় পুলিশ নেতাকর্মীদের বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ওসি কামাল উদ্দিন, এসআইসহ ১৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে জানিয়েছেন বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে রাস্তায় ওঠে গাড়ি ভাঙচুর করতে চেয়েছিল। তখন তাদের রাস্তায় ওঠা যাবে না বললে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আমরা আজ বাঁশখালীতে সমাবেশ করেছি। এরপর শান্তিপূর্ণ একটি মিছিল বের করলে পুলিশ আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ ও গুলি করে। আমাদের ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তারা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগান থেকে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে বিএনপির প্রায় ৩৫ কর্মী আহত হন। অপর দিকে ইটপাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
#ঢাকাটাইমস