ads
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

হিজাব নয়, অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ইরানি নারীরা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬৪ বার পঠিত

গর্জে উঠেছে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের দেশ- ইরানের নারীরা। দেশজুড়ে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে উঠেছে ২২ বছরের মহসা আমিনীর মৃত্যুকে ঘিরে।

তিন দশক আগেও হিজাব পরা নিয়ে তটস্থ থাকতে হত না ইরানের মেয়েদের। তাদের জীবন ছিল এখনকার চেয়ে সম্পূর্ণই আলাদা, অনেকটাই আধুনিক।

১৯৭৯ সালে রাজতন্ত্রবিরোধী বিপ্লবের সাক্ষী হয় ইরানের মানুষ। সে সময় পহলভি রাজবংশের শাসক রেজা শাহ পহলভিকে সরিয়ে আয়াতুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইরানের ক্ষমতায় আসে ইসলামিক রিপাবলিক সরকার।

রাজপরিবারের উৎখাতের সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টে যায় ইরানের সামাজিক পরিস্থিতি এবং রীতিনীতিও। ক্ষমতায় আসার পরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেইনি আদেশ দেন, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সব নারীদের হিজাব পরে থাকতে হবে।

এর বিরুদ্ধে সেই সময়েও পথে নামতে দেখা গিয়েছিল সে দেশের মেয়েদের। ১৯৭৯ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন সমাজের সর্বস্তরের হাজার হাজার মহিলা খোমেনির নয়া নির্দেশের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন।

কিন্তু ইরানের ক্ষমতার হাতবদলের আগে কেমন ছিলো সে দেশে মেয়েদের সার্বিক পরিস্থিতি? হিজাব পরার পাশাপাশি, হিজাব ছাড়াও ইরানের রাস্তায় স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াতে পারতেন সেই দেশের নারীরা। পোশাক পরা ও চলাফেরার পেতেন স্বাধীনতা।

তবে সে সময়ে যে হিজাব পরা হতো না এমনটিও নয়, তবে হিজাব পরা তখন বাধ্যতামূলক ছিল না। জোর করে হিজাব পরানোর জন্য এমন নৈতিক পুলিশ ছিল না দেশটিতে।

আশির দশকের আগে ইরানের নারীরা শিক্ষা, কর্ম, খেলাধুলাসহ অনেক কিছুতেই পশ্চিমা নারীদের সমকক্ষ ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ফুটবলসহ নানান খেলাধুলায় নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল।

১৯৭৯ সালের পর শুধু নারীদের পোশাকের ওপরেই নিয়ন্ত্রণ চাপানো হয়নি; নিয়ন্ত্রণ আরোপ হয় তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে, খেলাধুলায়, রাজনীতিতে, কর্মক্ষেত্রে, এমন কি ব্যক্তিগত ইচ্ছায় অনিচ্ছায়।

ইরানের রাজবংশের পতনের পর বহু বছর পেরিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরো কমেছে সে দেশের মহিলাদের সামাজিক অধিকার। তবে এই নিয়ে বিপ্লব কখনও থেমে থাকেনি। কিন্তু বিপ্লবের ফল এখনও হাতে পাননি সে দেশের নারীরা।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102