ads
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

গর্ভের সন্তান নষ্ট করায় স্বামীসহ ৫ জনের নামে মামলা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৫ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্ত্রীকে নির্যাতন করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে স্বামীসহ ৫ জনের নামে আদালতে মামলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মোছা. আমিনা খাতুনের অভিযোগ, মধুপুর থানা মামলা না নেওয়ায় তিনি টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মধুপুর থানা আমলী আদালতে মামলাটি করেন।

গত রোববার আদালতের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান মামলাটি গ্রহণ করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ী গ্রামের মো. আব্দুছ ছাত্তারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ, তার আগের স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার, ভাই জাকির হোসেন, বাবা আব্দুছ সাত্তার ও মা জায়দা বেগম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে একই উপজেলার শালিকা গ্রামের মেয়ে আমিনা খাতুনের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম সোহাগের বিয়ে হয়। সোহাগ আগের বিয়ে গোপন করে কাবিননামায় অবিবাহিত লিখে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর আমিনা খাতুন জানতে পারেন সোহাগের আগের স্ত্রী আছে। পরে সোহাগের প্রথম স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারের সঙ্গে পরিচয় হয় আমিনার। পরবর্তীতে সোহাগ আমিনা খাতুনকে নিয়ে উপজেলার মালাউড়ি গ্রামে বাসা ভাড়া করে একত্রে বসবাস শুরু করেন। একপর্যায়ে আমিনা অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি জানতে পেরে হঠাৎ তাকে ফেলে রেখে স্বামী সোহাগ আগের স্ত্রীর কাছে নিজ বাড়িতে চলে যান। ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো খোঁজ খবর না পেয়ে আমিনা প্রতিবেশী আমান আলী, জমশের ও ময়নালকে সঙ্গে নিয়ে সোহাগের বাড়িতে যান। আমিনাকে দেখে সোহাগ রাগান্বিত হয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। এসময় প্রথম স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারের হুকুমে পেটের বাচ্চাসহ তাকে খুন করার উদ্দেশ্যে সোহাগ তলপেটে এলোপাতাড়ি লাথি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে আমিনার রক্তপাত শুরু হলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ অবস্থায় সঙ্গে আসা প্রতিবেশীরা আমিনাকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান তার গর্ভপাত হয়ে গেছে।

আমিনা খাতুন বলেন, এভাবে তারা আমার পেটের সন্তানকে মেরে ফেলেছে। সেসময় সোহাগের ভাই, বাবা এবং মাও আমাকে বেধড়ক মারধর করেন।

এ বিষয়ে সোহাগের বাবা আব্দুছ সাত্তার বলেন, আমার ছেলে আমিনাকে কোনো মারধর করেনি। সে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

এ বিষয়ে মহিষমাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়ে মীমাংসা করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। পরে আমিনা সোহাগের বাড়িতে গেলে মারধরের ঘটনা ঘটে এবং আমিনার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায় শুনেছি। আর সোহাগ আগের বিয়ে গোপন করে কাবিননামায় অবিবাহিত বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করে কাজটি ঠিক করেননি।

এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, মামলা না নিলেও একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, আদালত থেকে এখনও কোনো কাগজপত্র পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102