কাতার বিশ্বকাপ পর্দা উঠতে বাকি আর মাত্র চার দিন। ইতোমধ্যে অংশগ্রহণকারী দলগুলো পাড়ি জমাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে। বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশ ছেড়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রাও। বর্তমানে তারা অবস্থান করছে মধ্যপ্রাচের আরেক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সেখানে অনুশীলনের পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে মেসিরা।
এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের প্রত্যাশা বেশি। কারণ এটিই মেসির শেষ বিশ্বকাপ। সে সঙ্গে দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে বিশ্বকাপ খরায় ভুগছে তারা। সমর্থক ও বিশ্লেষকদের চোখে টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট দল আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার বর্তমান দলটি ২০১৯ সাল থেকে টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত থেকেই বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। তারপরও দলের প্রাণভোমর লিওনেল মেসিই তার দেশকে ফেভারিটের কাতারে রাখতে চাইছেন না। ফেবারিট-তত্ত্বেও বিশ্বাস নেই মেসির।
মেসির মতে, ৩৬ বছর পর প্রথম বিশ্বকাপ জিততে চাইলে আর্জেন্টিনাকে সবার আগে যে কাজটা করতে হবে, ফেভারিট তকমা গায়ে লাগানো যাবে না।
‘ইউনিভার্সো ভালদানো’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন , ‘এখন সব দলের বিপক্ষে খেলাই কঠিন। (বিশ্বকাপে) সব দলকে হারানোই কঠিন হবে।’
কারণ হিসেবে মেসি উল্লেখ করেন, ‘(অপরাজিত থাকার পথে) ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে আমরা খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। যদিও ওরা আমাদের বিপক্ষে খেলতে পছন্দ করে না। তবে লাতিন দলগুলোকে হারানোও কঠিন। আর আমরা ভালো ফর্ম নিয়েই বিশ্বকাপে খেলব। কিন্তু আমরা ফেভারিট তকমার ফাদে পা দিয়ে বিশ্বাস করতে পারি না, ফেভারিট হওয়ায় এমনিতেই জিতব। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে হবে।’
বিশ্লেষকদের চোখে আর্জেন্টিনা ছাড়াও ফেভারিটের তালিকায় রয়েছে ব্রাজিল ও ফ্রান্স। এই প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘ফ্রান্স ভালো দল। তাদের কয়েকজন খেলোয়াড় চোট পেলেও ভয় পাইয়ে দেয়ার মতো দল গড়েছে। দলে সেরা খেলোয়াড়েরা আছেন এবং এমন এক কোচ আছেন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে গত বিশ্বকাপও জিতেছেন। ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরাও বেশ ভালো। বিশেষ করে আক্রমণভাগে। তাদের ভালো ৯ নম্বর আছে, নেইমারও আছে।’