ads
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ফখরুল-আব্বাস কারাগারে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৩ বার পঠিত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জামিন আবেদন নাকচ করে শুক্রবার বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী হাকিম মোহাম্মদ জসিম। বৃহস্পতিবার রাতে তাদেরকে নিজ নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি।

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) আদালতে হাজির করা হয় পুলিশের দায়ের করা একটি মামলায়। বুধবার পুলিশ নিজেই গুলি করে একজন বিএনপি কর্মীকে হত্যা ও শতাধিক নেতাকর্মীকে আহত করার পর উল্টা মামলা দায়ের করে বিএনপি’র বিরুদ্ধে। পুলিশের দায়ের করা এই মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।

অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন আওয়ামী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ডিবির কার্যালয় থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। এসময় কোর্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি’, ‘পার্টি অফিসে গুলি কেন’ সহ বিভিন্ন ধরনে স্লোগান দেন তারা।

এরও আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার দেখায় ডিবি।

৭ই ডিসেম্বর বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জমায়েত হওয়া কর্মীদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। এতে বিএনপির একজন কর্মী নিহত হন। আহত হন অনেকে।

বিএনপি কর্মীকে হত্যার পর উল্টো ৪৭৩ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আসামি করে পল্টন মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সাজানো একটি মামলা করে।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাদের বাসা থেকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

বিএনপি পক্ষের আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার বলেছেন, এই মামলার এজাহারের দুই জন আসামিকে ইতিমধ্যে জামিন দিয়েছে। এই মামলার এজাহারে যাদের কথা বর্ণনা করা হয়েছে, তাদের বলেছে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কর্মী। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মামলায় কোনো অপরাধ করেছে এমন কোনো কথা বলা হয় নাই।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিএমএম কোর্টের নিচে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার বলেন, ৭ তারিখের মামলায় ৯ তারিখ পর্যন্ত এই দুই দিনের কোনো বিষয় আসে নাই। আমরা আদালতকে বলেছি, মির্জা আব্বাস এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তারা বয়স্ক মানুষ এবং অসুস্থ। ওষুধ ছাড়া তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন চলে না। আগামীকাল (শনিবার) একটি জনসভা আছে, সেখানে মির্জা ফখরুল প্রধান অতিথি এবং মির্জা আব্বাস বিশেষ অতিথি। তারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতি করে, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন। তাই এজাহারে তাদের নাম নাই। তাই এই কথিত ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নাই।

যেহেতু এজাহারে আমানুল্লাহ আমান এবং আব্দুল কাদের ভূঁইয়ার নাম আছে, তাদেরকে জামিন দিয়েছেন, তাই এজাহারে যাদের নাম নাই তাদের জামিন দিয়ে দেন। এই বয়স্ক দুই মানুষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ যে ফরওয়ার্ডিং আদালতে পাঠিয়েছে, সেখানেও তাদের কোনো অভিযোগ নাই।

আদালত আমাদের বক্তব্য শোনার পরে এই পর্যায়ে জামিন নামঞ্জুর এই কথা বলে নেমে গেছেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, আগামীকালের সমাবেশকে নস্যাৎ করার জন্যই সরকার তথাকথিত মামলা দিয়ে মহাসচিব ও মির্জা আব্বাসকে কারাগারে আটকে রেখেছে।

আফরোজা আব্বাস বলেন, গতকাল বাসা থেকে ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে এসে আজ পাতানো মামলায় তাদেরকে জামিন না দিয়ে কারাগারে আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সরকার আগামীকালের সমাবেশকে নস্যাৎ করার জন্যই তো মহাসচিব ও মির্জা আব্বাসকে কারাগারে পাঠিয়েছে, কিন্তু বিএনপি সমাবেশ করবেই।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102