ads
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রে পতনের ঝুঁকিতে প্রায় ২০০ ব্যাংক

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩
  • ৫৫ বার পঠিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সিলিকন ভ্যালি, সিলভারগেট ও সিগনেচার ব্যাংকের মতো আরও অন্তত ২০০টি ব্যাংক পতনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাইডেন প্রশাসন সম্প্রতি অস্থিতিশীল বাজার শান্ত করতে একাধিক পদক্ষেপ নিলেও শঙ্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি এসব ব্যাংক। এক গবেষণার বরাত দিয়ে এমন তথ্য দিয়েছে নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড।

সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, আতঙ্কিত হয়ে গ্রাহকরা টাকা তুলে নেওয়ায় ওই তিনটি ব্যাংকে যেভাবে ধস নেমেছে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৮৬টি ব্যাংক একই ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ব্যাংকের ক্ষেত্রে যদি তাদের অর্ধেক গ্রাহক নিজেদের সঞ্চিত অর্থ তুলে নেয়, তাহলেই এসব ব্যাংকের পতন ঘটবে।

এতে বলা হয়, যদিও মার্কিন সরকার ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত ব্যাংক আমানতের বিমা করে থাকে। কিন্তু এসব ব্যাংকে প্রচুর অবিমাকৃত আমানতকারী রয়েছে। যে কোনো নেতিবাচক সংবাদে তাদের মধ্যে অর্থ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। যেমনটি ঘটেছিল সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের ক্ষেত্রে। ওই ব্যাংকে অবিমাকৃত আমানতকারীর সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। ব্যাংকটি অভ্যন্তরীণ কিছু সংকটের কারণে তাদের কিছু সম্পদ বিক্রির ঘোষণা দিলে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অমনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার হিড়িক পড়ে। ফলে দুই দিনের ব্যবধানে ব্যাংকটির আমানত প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে যায়। ফলে ব্যাংকটি বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন চার অর্থনীতিবিদের করা ওই সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অবস্থার কারণে ২০২২ সালের ৭ মার্চ থেকে ২০২৩ সালের ৬ মার্চ পর্যন্ত এক বছর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার শতকরা ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ বাড়িয়েছে। ফলে এই সময়ে ব্যাংকগুলোর গচ্ছিত সম্পদের মূল্য ব্যাপক মাত্রায় কমে যায়।

এসব ব্যাংক তাদের অতিরিক্ত নগদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মার্কিন ট্রেজারিতে জমা রাখে। প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরে রাখার জন্য এটি অতি নিরাপদ বলে বিবেচিত। কিন্তু সুদের হার বাড়ানোর কারণে এসব গচ্ছিত বন্ডের মূল্য মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে চরম সংকটে পড়ে গেছে ব্যাংকগুলো।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102