পটুয়াখালী ; তার জেলে আইডি কার্ড রয়েছে। যার নম্বর ১০৭৮৬৬০০৮৭০০০১১৮। চাল বিতরণ তালিকায় নামও আছে। অথচ বিশেষ ভিজিএফ এর চাল পায় না। বিতরণস্থল বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অনেক দেন-দরবার করেছিলেন জেলে সবুজ ভুইয়া। কিন্তু তার ভাগ্যে জোটেনি চাল।
কানকুনিপাড়া গ্রামের এই জেলে পরিবারের দাবি, তাদের বরাদ্দের চাল অন্য কাউকে দেয়া হয়েছে। একই কথা, একই গ্রামের আমিনুল ইসলাম, রাসেল, রেজাউল, শরীফ, জহিরুল, হাঁড়িপাড়া গ্রামের কালাচান শীল, বাসু দেবের। প্রত্যেকের জেলে আইডি কার্ড রয়েছে। রয়েছে তালিকায় নাম। অথচ বিশেষ ভিজিএফ এর চাল এরা পায় না। অন্তত ১৫ জেলে পরিবারের এমন অভিযোগ।
গত ৩ এপ্রিল সর্বশেষ ওখানকার চাল বিতরণ করা হয়েছে। বঞ্চিত জেলেরা সরকার প্রদত্ত তাদের বরাদ্দের চাল পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। বঞ্চিত জেলেরা এ ঘটনায় ওই এলাকার ইউপি মেম্বারকে দায়ী করেছেন।
মেম্বার রাকিবুল ইসলাম জানান, তার ওয়ার্ডের ১১৩ জন জেলের মধ্যে ৬০ জনের চাল পেয়েছেন। বাকিদের পরে দেয়া হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম হুমায়ুন কবির জানান, প্রত্যেক ওয়ার্ডের চাল মেম্বারদের মাধ্যমে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তারপরও কোন সমস্যা থাকলে সমাধান করা হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, বালিয়াতলী ইউনিয়নে কার্ডধারী জেলেরসংখ্যা ১১০৫ জন। কিন্তু চাল বরাদ্দ রয়েছে ৭০০ জনের। এই ৭০০ নামের তালিকায় থাকা কেউ চাল না পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।