জাতীয় শোক দিবসে পৃথক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসী ও তাঁর ভাই জামিল হাসান দুর্জয়। এর ১০ দিনের মাথায় এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা ও পাঁচবারের এমপি অ্যাডভোকেট রহমত আলীর এ দুই সন্তান।
গতকাল শুক্রবার গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটী ইউনিয়নের আনসার টেপির বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুর্জয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান শুরুর পর হঠাৎ মঞ্চে হাজির হন এমপি টুসী। তবে তাঁর বলয়ের অনেক নেতাকর্মীকে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। এ সময় টুসীকে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঘোষণা করা হয়। দুর্জয়ের আগে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভাইবোনের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই।’
শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম শেখের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ, আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ, ফরিদ আহম্মেদ চুন্নু প্রমুখ।
গত ১৫ আগস্ট পৃথকভাবে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন টুসী ও দুর্জয়। নিজ নিজ বলয়ের নেতাকর্মীকে নিয়ে আলাদা করে অনুষ্ঠান আয়োজন করেন তারা। এ নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা ও সদরের তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গাজীপুর-৩ আসন গঠিত। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়ে জয়ী হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ। টুসী ও দুর্জয় এবার এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান।