ads
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

হরিরামপুরে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থীর পায়ে পচন

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৪ বার পঠিত

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকের বেত্রাঘাতে এক শিক্ষার্থীর পা পচন ধরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে মো. নাহিদ মোল্লা (১২) নামে ওই শিক্ষার্থীর ডান পায়ের একাংশের মাংস কেটে ফেলা হয়েছে।

নাহিদ মোল্লা উপজেলার বাহিরচর গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলম কুট্টুর ছোট ছেলে। অসুস্থ শিশুটি এখন মানিকগঞ্জের মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুবার অপারেশন করা হয়েছে ছেলের এমন করুন দশায় দুশ্চিন্তায় পরিবারটি। এছাড়া চিকিৎসার টাকা জোগারে হিমশিম খাচ্ছেন তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম।

নাহিদের বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম কুট্টু জানান, ছেলেকে কুরআনে হাফেজ বানানোর জন্য দেড় থেকে দুই বছর আগে আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করাই।

তিনি আরও বলেন, গত কুরবানি ঈদের কয়েকদিন পর মাদ্রাসার শিক্ষক আল আমিন আমার ছেলের ডান পায়ে সজোরে বেত্রাঘাত করেন। কিন্তু শিক্ষকের ভয়ে আমাকে কিছুই বলেনি। পরে অবস্থা বেগতিক হয়ে পড়লে গত ৩০ আগস্ট নাহিদকে মুন্নু মেডিকেলে ভর্তি করাই। যেখানে শিক্ষক বেত্রাঘাত করেছিল সেখানে ফুলে পচন ধরে যায়। ইতোমধ্যে দুইবার অপারেশন করা হয়েছে। সর্বশেষ পচে যাওয়া মাংস কেটে ফেলা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে সুস্থ হতে অনেক টাকা লাগবে। আমি গরীব মানুষ, এখন কি করব, কার কাছে বিচার দেব, জানি না।

নাহিদের মা নাসরিন বলেন, আমার ছেলের অবস্থা তেমন ভালো না। ডান পাশের রানের মাংস অনেকখানি কেটে ফেলছে। সঙ্গে প্রচুর জ্বর রয়েছে। ক্ষতস্থানে প্রতিদিন বেশ কয়েকবার পরিষ্কার করতে হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. নাহিদ মোল্লা বলেন, দেড় মাস আগে আমার পায়ে সজোরে বেত্রাঘাত করেছিলেন আলামিন স্যার। অনেক সহপাঠী দেখেছে। শিক্ষকের ভয়ে পরিবারের কাউকে ঘটনাটি বলিনি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সভাপতি এনামুল হক মোসাদ্দেক বলেন, বিষয়টি মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আমাকে অবগত করা হয়েছে। ছেলেটিকে সুস্থ করতে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে অর্থ সহযোগিতা করা হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102