প্রথম ধাপে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিল দেওয়া ব্যালটের সঙ্গে ছবি তুলেছেন মো. মানিক নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। পরে সাংবাদিকরা ফোন করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ছবিটি ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেন।
আজ বুধবার (৮ মে) দুপুর ২টার দিকে ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বন্দর খড়িবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন মানিক। তিনি খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
বেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তারবেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা মানিক মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এরপর ব্যালট নিয়ে ভোটকক্ষে যান। সেখানে ব্যালটে সিল মেরে সেখানেই সিল মারা ব্যালটের ছবি তোলেন। এরপর ৩টা ৫৫ মিনিটে তার ব্যক্তিগত আইডিতে ছবিটি পোস্ট করেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মো. মানিক মুঠোফোনে ফোন করলে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি এদেশের একজন স্বাধীন নাগরিক। ভোট ও ফেসবুক আইডি আমার ব্যক্তিগত। দুপুর সাড়ে ২টার দিকে কেন্দ্রে গিয়ে আমার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। নিময় অনুযায়ী ভোট গ্রহণ বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পার আমি ছবিটি ফেসবুকে দিছি। এটা তো অন্যায়ের কিছু দেখছি না। একথা বলে তিনি ফোন রেখে দেন।
ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ডিমলা পল্লী উন্নয়ন অফিসের সহকারী অফিসার আব্দুল কাদেরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আ. লীগের নেতার ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে ভোট দেওয়ার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার বিষয়ে ডিমলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শুভ কুমার সরকার বলেন, ভোটকেন্দ্রের গোপন বুথে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ছবি তোলা বেআইনি। কোনো ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্র মোবাইল ব্যবহার করতে না পারেন সেজন্য সেখানে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথা বলা। এরপরও তিনি কিভাবে মোবাইল ব্যবহার করেছেন তা জানা নেই।
জেলা নির্বাচন অফিসার ও ডিমলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সকলকে জিজ্ঞেসাবাদ করা হবে।
#দেশ রূপান্তর