প্রাণিসম্পদ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আয়োজনে জার্নালিস্ট ফেলোশিপ প্রোগ্রামের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে জরুরি বিভাগ রয়েছে। যেকোন রোগীকে সেখানে প্রথমে সেবা দেয়া হয়। প্রাণিসম্পদখাতেও জরুরি সার্ভিসের প্রয়োজন রয়েছে। প্রাণিসম্পদের সম্ভাবনাকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগাতে হলে যারা প্রাণীকে সেবা দেয়, তাদের সেবাকেও জরুরি সেবার অর্ন্তভূক্ত করতে হবে। এখাতকে সামনে নিয়ে যেতে হলে এটি দরকার। তাই প্রাণিসম্পদ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণার ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সভাপতিত্বে এবং পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এটিএম মোস্তফা কামাল, টিভি টুডের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, ডিবিসি নিউজের এডিটর প্রণব সাহা, এলডিডিপি প্রকল্পের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মো. আব্দুর রহিম, এলডিডিপির চিফ কো-অর্ডিনেটর ড. মো. গোলাম রাব্বানী বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুকনুজ্জামান অঞ্জন ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিপ্রেক্ষিতের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফাতেমা ইসলাম।
এদিকে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেন, কোরবানিতে চাহিদা অনুযায়ী গবাদিপশুর যোগান দেয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। দেশবাসী এবার ঈদুল আজহা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন করতে পারবে। কোন ধরনের চিন্তার কারণ নেই। চামড়ার দাম নির্ধারণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণের কাজে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন বলেও এসময় মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’ প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন ছাড়া স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি এসময় উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ফেলোশীপ সম্পন্নকারী প্রত্যেককে ৭৫ হাজার টাকার চেক দেয়া হয়। এছাড়া ফেলোশীপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ইলেক্ট্রনিক এবং প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়া এ দুটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে আলাদা করে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট দেয়া হয়।