ছাত্ররাই অজেয়। শুধু বাংলাদেশেই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছাত্র আন্দোলনের অজেয় রূপ দেখা গেছে। বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন-২০২৪ রিজিম পরিবর্তন করে সফল হয়েছে। ২০১০ সালে দাখিল, ২০১২ সালে এইচএসসি, ২০১৮ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক সম্মান ও ২০১৯ সালে একই বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন ছানোয়ার হোসেন। সকল পরিক্ষায় সফলতার সাথে ফলাফল পেলেও রাজনৈতিক কারণে জুটেনি চাকরি তার। ২০১০ সাল থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার সংগ্রাম শুরু। যেখানেই কেউ বঞ্চিত সেখানেই অধিকার আদায়ের জন্য হাজির সাহসি যোদ্ধা ছানোয়ার হোসেন।
অন্য পুলিশ সদস্যদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজে যোগ দিতে উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি
জানাযায়, কলেজে পড়ার সময় থেকেই হয়রানি মূলক মামলা, হামলা, হুমকি ধামকি অব্যহত ছিল। কিন্তু কোন কিছুতেই তাকে দমাতে পারেনি। এবছরেও শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে আছেন প্রতিটি কর্মসূচিতে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই এই বীর যোদ্ধা প্রশংসায় ভাসছে তার নিজ বাড়ি শেরপুর জেলা শহরের মোবারকপুর আখের বাজার এলাকায়।
এ ব্যাপার ব্যবসায়ি নেতা শফিকুল ইসলাম জানান, ছানোয়ার হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি একজন মেধাবী ছাত্র। মানুষের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকে।
এমদুল হক মিলন মিয়া জানান, ছানোয়ার আমাদের অহংকার। এলাকার মানুষের সুখেদুখে পাশে পাই তাকে। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে একজন যোদ্ধা সে। আমরা তার শুভকামনা করছি।
ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমি কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি ছোট থেকেই । যার কারণে কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় ছাত্রলীগের হামলার শিকার হই। সে থেকে শুরু, এরপর নানান সময়ে হামলা, মামলার মুখোমুখি হই। আর এবারের আন্দোলনটা ছিলো দেশের মানুষের প্রানের দাবী আদায়ের আন্দোলন। আমি এই আন্দোলনে অংশ নিতে পেরে গর্বিত। আমি বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি নিজেও অল্পের জন্যে বেঁচে যাই। আমার এক মামাকে বলে এসেছিলাম, আমি মারা গেলে আমার বাবা মাকে দেখার জন্য। এ যুদ্ধে যে সকল বীর যোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। এ বিজয় জুলুমকারির বিরুদ্ধে হয়েছে।