শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর ও মারধরের ঘটনাকে বিভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য শেরপুরের শ্রীবরদীতে ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম ও এলাকাবাসীর নামে উদ্দেশ্যে প্রনোদিত, ভিত্তিহীন, মানহানিকর মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
২৪ আগস্ট শনিবার সকালে ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, এলাকার সন্ত্রাসী ও উৎশৃঙ্খল আলমগীর, ময়নে, উজ্বল, আরিফ, সাইফুল, আরমান সহ প্রায় ৩০/৪০জন ব্যক্তি ২০ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে অফিস চলাকালিন সময়ে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে ইউনিয়ন পরিষদের ভিতর হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। পরে চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনকে মারপিট করে। এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উল্টো চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

মানববন্ধন
ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বলেন, আমি পরিষদে দায়িত্ব পালনকালে আলমগীর, ময়না, উজ্বল, আরিফ, সাইফুল, আরমান সহ প্রায় ৩০/৪০জন পরিষদে ঢুকে আমাকে মারধর করে ও পরিষদের জিনিস পত্র ভাংচুর করে, চাবি ছিনিয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র তছনছ করে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ময়না মিয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ বানোয়াট। চেয়ারম্যান ও তার ভাতিজা এ পরিষদকে নিজেদের পারিবারিক সম্পতি মনে করে। চেয়ারম্যান বানোয়াট মামলা দিয়ে বিএনপি, জামাতের লোকদের হয়রানি করে আসছে। আমি বিএনপির রাজনীতি করি, এজন্য আমার নামে হয়রানিমূলক বহু মামলা দিয়েছেন তিনি। এখন তিনি উল্টো নাটক সাজাচ্ছেন।