সিটি করপোরেশনের যন্ত্র ব্যবহার করেই সিলেটে টিলা কাটার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ কর্মীদের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলরের নির্দেশেই চলছিলো এই কাজ। মেয়র জানালেন, বেআইনি এই কাজে নগর ভবনের কেউ জড়িত থাকলে, কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিলেট নগরীর বারোটি খাল ও ছড়া দখলমুক্ত করে চারটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করেছে সিটি করপোরেশন। তবে অভিযোগ, নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডে গোয়াবাড়ী টিলা কেটে মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে রাস্তায়।
পরিবেশ কর্মীদের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর ইলিয়াসুর রহমানের ভাইয়ের তত্বাবধানে চলছিলো টিলা কাটার কাজ। আর এ কাজে ব্যবহার হয় সিটি করপোরেশনেরই খননযন্ত্র ও যানবাহন। সিলেট শাখা বাপা’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম বলেন,’স্থানীয়রা বলেছেন যে, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের নেতৃত্বে এখানে টিলা কাটা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের যান বাহনের মাধ্যমে টিলার মাটি পরিবহন করা হয়েছে।’
তারা বেশ কিছুদিন ধরেই এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলো বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর বলছেন, টিলা কাটার বিরুদ্ধেই তার অবস্থান। সিসিক ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াসুর রহমানের দাবি,’টিলা তো এখন নাই। শুধু মাটি আছে। যে যেভাবে পারে এখান থেকে মাটি নেয়।’
এদিকে, মেয়র জানান, টিলা কাটার কোন সুযোগ নেই। করপোরেশনের কেউ জড়িত থাকলে নেয়া হবে ব্যবস্থা। সিলেট সিটি করপোরেশন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘কোন ভাবেই কোন অবস্থায়, পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোন আদেশ সিটি কর্পোরেশন কোন আদেশ দিতে পারে না। যদি কোন অনিয়ম বা ক্রুটি বা এর পিছনে যেই থাক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
গত ১৯শে আগস্ট টিলা কাটা বন্ধ করে পরিবেশ অধিদপ্তর। ২৬শে আগস্ট এ বিষয়ে গণশুনানি হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন,’আইনের আওতায় আনার প্রাথমিক যে প্রক্রিয়া সেটা করেছি। গণশুনানিতে বের হয়ে আসবে কার এ কাজে জড়িত।’