দুই দফা বন্যার পর এবার নদী ভাঙনে দিশেহারা বগুড়ার সারিয়াকান্দির কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এমনকি স্কুলও বাদ পড়েনি। অসহায় মানুষের আকুতি, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তাদের সম্পদ রক্ষার।
বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে জমিজমা হারিয়ে অসহায় ছহিম উদ্দিন। শেষ বয়সে বাড়ি ভিটার জন্য কোথায় ঠাঁই মিলবে। শুধু তিনি নন সারিয়াকান্দির নার্সি ইউনিয়নের গোদাগাড়ি, গনকপাড়া মালিপাড়া গ্রামের অনেকের আতংক এখন নদী ভাঙন।
আরও পড়ুন: যশোরে উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, এ জমি গুলোতে ভালো আবাদ হয়। সেগুলো বিক্রি করে আমরা খাই। নদী ভেঙে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাবো।
হাটশেরপুর ইউনিয়নের চরদিঘাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ২০০৫ সালে নির্মিত বিদ্যালয়টিতে অনেক স্মৃতি শিক্ষার্থীদের। দুশ্চিন্তায় লেখাপড়া নিয়ে অভিভাবকরা।
অভিভাবকরা জানান, এ স্কুল ভেঙে গেলে আমাদের ছেলে-মেয়েদের কী হবে। তারা কোথায় লেখা পড়া করবে?
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বগুড়া সারিয়াকান্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়া।
তিনি বলেন, ২৩০০ কোটি ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। নদী ড্রেজিংয়ের সাথে দুই তীরের কাজও করা হবে। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে কাজটি হবে।
সরকারি তথ্য মতে, দুসপ্তাহ ধরে চলা নদী ভাঙনে ৮টি কমিউনিটি সেন্টার, ৩টি বিদ্যালয়সহ কৃষি বিভাগের প্রায় শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।