অর্থপাচার মামলায় এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে আদালত।
সঅর্থপাচার মামলায় এনু রুপনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত আগামী ৪ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।
এর আগে, এই মামলার কারাগারে থাকা ১২ আসামির মধ্যে ৭ জনকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিনের আবেদন জানায়। আদালত তাদের জামিন আাবেদন নামঞ্জুর করেন। এ মামলায় পাঁচ আসামি পলাতক।
ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার গেন্ডরিয়া থানায় মামলা করে র্যাব। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল জানান, ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনোকাণ্ডের টাকা নিয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ মামলা করা হয়েছে।
ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া দুই ভাই এনু-রুপনের পুরান ঢাকার বানিয়ানগরের বাসা এবং দুই কর্মচারীর বাসায় ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে পাঁচ কোটি টাকা এবং সাড়ে সাত কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সূত্রাপুর ও গেণ্ডারিয়া থানায় তাদের নামে ছয়টি মামলা হয়। পরে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এনু-রুপনের লালমোহন সাহা স্ট্রিটের বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা, পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআরের কাগজ এবং এক কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনও এনু-রুপনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে। মামলায় এনুর বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের এবং রুপনের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তবে, দুদক এখনো এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। এনু-রুপনের আয়ের বড় উৎস ছিল মতিঝিলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসা।