ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুদকের ভয় দেখিয়ে চাকুরিজীবিদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের এক সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি ঘুষ না দিলে মিথ্যা ফাইল তৈরি করে পাঠানো হয় দুদকে। অভিযোগ সত্য হলে তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেয় জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা আইনজীবি সমিতি।
প্রতারণার অভিযোগ ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজকোর্টের নাজির দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মনগড়া অভিযোগ তৈরি করে আবার নিজেই সেটি সমঝোতার কথা বলে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে দাবি করেন মোটা অংকের টাকা।
গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জেলা রেজিট্রার অফিসের প্রধান সহকারি শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে দবিরুলের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয় কোটি টাকার জমি ক্রয় ও ১০ তলা বাড়ি নির্মাণের। সরেজমিনে দেখা যায় ৩ লাখ টাকায় জমি ক্রয় করে ৬ তলার অনুমোদন নিয়ে দুই তলার কাজ শেষ করেছেন শাহজাহান।
তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি দবিরুল।
বিচারকের কথা বলে কোন কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা আইনজীবী সমিতি।
অ্যাড. ইমরান হোসেন বলেন, মামলায় যদি কোন দালাল লোক ঢুকে যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত বা আইনজীবি সমিতি ব্যবস্থা নেবে।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ বলেন, বিচারকের নাম করে কেউ যদি দুর্নীতি করে তবে অবশ্যই এটা অপরাধ। সে ব্যাপারে বিচারকই ব্যবস্থা নেবেন।
দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম।